এশিয়া কাপে বাংলাদেশ, ঋতুপর্ণাদের ইতিহাস

স্বাগতিক মিয়ানমারকে হারিয়ে নারী এশিয়ান কাপ ফুটবলে এক পা দিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশ। গ্রুপের অন্য ম্যাচে বাহরাইন-তুর্কমেনিস্তান ২-২ গোলে ড্র করেছে। এতে সি গ্রুপ থেকে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফলে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এশিয়া কাপের মূল পর্বে খেলবে। আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বসবে এই আসর।

আগামী বছর মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এশিয়া কাপের চূড়ান্ত পর্ব। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া, গত এশিয়া কাপের শীর্ষ তিন দেশ জাপান, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া সরাসরি খেলবে। বাকি আট দেশ বাছাই পর্ব থেকে আসবে। চলমান বাছাইয়ে ৩১ দেশ আট গ্রুপে খেলছে। আট গ্রুপের চ্যাম্পিয়নরাই শুধু অস্ট্রেলিয়ায় খেলার সুযোগ পাবে।

দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের নামের পাশে ৬ পয়েন্ট। স্বাগতিক মিয়ানমারের ৩, বাহরাইন ও তুর্কেমেনিস্তানের সমান এক পয়েন্ট করে। বাংলাদেশ শেষ ম্যাচে তুর্কমেনিস্তানের কাছে হারলে এবং মিয়ানমার বাহরাইনের বিপক্ষে জিতলে তখন দুই দলেরই সমান ৬ পয়েন্ট হবে। টুর্নামেন্টের বাইলজ অনুযায়ী প্রথমে হেড টু হেড বিবেচনা হবে। বাংলাদেশ মিয়ানমারকে হারানোয় বাংলাদেশ গ্রুপ সেরা হিসেবে গণ্য হবে। ফলে আজই বাংলাদেশের এশিয়া কাপ নিশ্চিত হলো।

বাহরাইন-তুর্কমেনিস্তান ম্যাচটি বেশ উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। ম্যাচের শেষ দিকে তুর্কমেনিস্তান ২-১ গোলে লিড নেয়। তুর্কমেনিস্তান ম্যাচটি জিতলে বাংলাদেশকে পরবর্তী ম্যাচে ন্যূনতম ড্র করতে হতো। কারণ তুর্কমেনিস্তান বাংলাদেশকে হারালে তখন তাদেরও ছয় পয়েন্ট হওয়ার সুযোগ থাকত। আবার মিয়ানমার শেষ ম্যাচে বাহরাইনকে হারালে তখন তিন দলের ছয় পয়েন্ট হতো। সেই সময় বড় জটিলতায় পড়ত গ্রুপটি।

৫ জুলাই বাংলাদশ-তুর্কমেনিস্তান ম্যাচ এখন শুধুই আনুষ্ঠানিকতার। ঐ ম্যাচে হারলেও বাংলাদেশের এশিয়া কাপ খেলায় কোনো বাধা থাকবে না।

আজ ঋতুপর্ণার জোড়া গোলে মিয়ানমারকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে বাংলাদেশ এশিয়া কাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে। ১৯৮০ সালে কুয়েতে বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দল খেলেছিল প্রথম এশিয়া কাপ। ২০২৬ সালে বাংলাদেশের নারীরা খেলবে প্রথম নারী এশিয়া কাপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *